যেমন চলছে কঠোর বিধিনিষেধ

কালান্তর ডেস্ক:
সকাল থেকে শুরু হয়েছে সাত দিনের কঠোর বিধিনিষেধ। এ জন্য রাজধানীর রাস্তাগুলো অন্য দিনের তুলনায় বেশ ফাঁকা। প্রধান সড়কগুলোতে কোনো গণপরিবহন চলতে দেখা যায়নি।বৃহস্পতিবার সরেজমিনে শুক্রাবাদ, ধানমন্ডি-৩২, পান্থপথ ও কলাবাগান এলাকা ঘুরে দেখা যায় রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্টে সকাল থেকেই দায়িত্ব পালন করছেন পুলিশ সদস্যরা। স্থাপন করা হয়েছে একাধিক চেকপোস্ট। এসব চেকপোস্টে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ এবং সংশ্লিষ্ট থানার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা জন ও যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন। জরুরি প্রয়োজনে যারা সড়কে বেরিয়েছেন তাদের মুখোমুখি হতে হচ্ছে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদের। সড়কে যেসব গাড়ি চলাচল করছে সেগুলোর অধিকাংশই আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, গণমাধ্যম, অ্যাম্বুলেন্স, জরুরি ও খাদ্য পণ্যবাহী ট্রাক, সরকারি কর্মকর্তাদের বহনকারী যানবাহন ও জরুরি সেবায় নিয়োজিত মোটরসাইকেল। তবে এ সময়ে অলিগলি ও সড়কে কিছু রিকশার চলাচল দেখা যায়। চেকপোস্টের দায়িত্বে থাকা পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, সকাল ৬টা থেকে অপরাধ বিভাগ ও ট্রাফিক বিভাগ ঢাকা শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নে যৌথভাবে চেকপোস্ট করছে। প্রজ্ঞাপন অনুসারে যে সকল যানবাহন বা মানুষ চলাচল করার কথা তাদেরই দেখতে পেয়েছেন বলে জানান তিনি। ট্রাফিক পুলিশের ধানমন্ডি জোনের উপ-কমিশনার জাহিদুল ইসলাম বলেন, করোনা সংক্রমণ হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় সরকার ঘোষিত কঠোর লকডাউনের বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। সড়কে ট্রাফিক পুলিশ এবং সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশের সম্মিলিত টহল চলবে। কেউ যেন অপ্রয়োজনে বাইরে বের না হয় এবং ঘোরাফেরা না করে সেটি নিশ্চিত করতে আমাদের একাধিক টিম কাজ করে যাচ্ছে। উল্লেখ্য, করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ নিয়ন্ত্রণে সরকার এ বছর প্রথমে ৫ এপ্রিল থেকে ধাপে ধাপে বিধিনিষেধ দিয়ে আসছে। দেশব্যাপী বিধিনিষেধের পাশাপাশি এবার স্থানীয় প্রশাসন বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ বিধিনিষেধ জারি করছে। কিন্তু করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসছে না। এমন পরিস্থিতিতে শুরু হয়েছে কঠোর বিধিনিষেধ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x