আশাশুনিতে এটিএম বাহিনীর তান্ডবে শেষ রক্ষা হলনা জোসনার গর্ভের সন্তানের

আশাশুনি প্রতিনিধি :
আশাশুনির আনুলিয়া ইউনিয়নের কাকবাসিয়া গ্রামে এটি এম বাহিনীর তান্ডবের ৭২ ঘন্টা পর গৃহবধু জোসনার গর্ভের ৭ মাসের নব জাতকের মৃত্যু হয়েছে। এমন লোহমর্শক ঘটনায় স্বজনদের আহাজারিতে আকাশ বাতাশ ভারি হয়ে উঠেছে। গত ১৩ জুন রাত্র আনুমানিক ২টার দিকে সাতক্ষীরায় সদর হাসপাতালে অন্তসত্তা জোসনার প্রচন্ড রক্ত ক্ষরণ শুরু হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যে মৃত পুত্র সন্তান প্রসব করেন। তবে এটনায় কর্তব্যরত ডাক্তারের সাথে কথা হলে তিনি বলেন আঘাত জনিত কারনে গৃহ বধুর পেটের সন্তানটি সময় হওয়ার আগেই ঝরে গেল । তিনি আরো বলেন গৃহবধুর অবস্থা এখনও শংখ্যা মুক্ত নয় বলে তিনি জানান । এদিকে গৃহবধুর স্বামী বিল্লাল হোসেনের সাথে সার্র্বিক বিষয় কথা হলে তিনি এ প্রতিবেদক কে জানান গত ১২ জুন এটি এম বাহিনী তার ক্যাডারদের নিয়ে কোন কারণ ছাড়াই গায়ে পড়ে মাপ জরিপের কাজ ব্যাহত করতে থাকে । তাদের এমন আচারনে আমি সহ আমার ভাইয়েরা প্রতিবাদ করলে মুহুর্তের মধ্যে তার পেটুয়া বাহিনীকে লেলিয়ে দেয় । দেওয়ার এক পর্যায়ে হামলা ও ভাংচুর লুটপাট শুরু করে। আমি সহ আমার ভাইয়েরা তাদের কাজে বাঁধা দিলে মারপিট করতে থাকে । এমন তান্ডব দেখে আমার স্ত্রী সাত মাসের অন্তসত্তা জোসনা খাতুন প্রথমে ঠেকাতে এলে এটি এম এর নির্দ্দেশে শহীদ,হালিম সহ তাদের পেটুয়া বাহিনী আমার স্ত্রীর তলপেটে সহ অনন্য জায়গায় আঘাত করে রক্তাত্ত জখম করে । আমাদের ডাক চিৎকারে ছোট ভাইয়ের স্ত্রী সাবিনা ঠেকাতে গেলে বাহিনীর সকলে তাকে মাটিতে ফেলে বিবস্ত্র করে টানা হেচড়া করতে থাকে । পার্শবত্তি লোক জন এগিয়ে এলে তারা দ্রুত ঘটনা স্থলত্যাগ করে চলে যায় । যাওয়ার সময় এটি এম বাহিনীর দলবল বলতে থাকে আমাদের নামে মামলা করলে রাতের আধারে ভারতে চলে যেতে হবে । তাদের এমন হুংকারে পরিবারটি নিঘুম রাত কাটাচ্ছে বলে তিনি জানান । এরিপোট লেখা পর্যন্ত আশাশুনি থানার ওসি গোলাম কবিরের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি । তবে কর্তব্য রত ডিউটি অফিসার এস আই মিঠুন মন্ডল মৃত শিশুটি দেখার পর দাফন করার অনুমতি দিয়েছে। #

আশাশুনিতে সদরে হুমকি ও মারপিটে আহত
আশাশুনি প্রতিনিধি :
আশাশুনি সদরে মসজিদ কমিটির সভাপতিকে মারপিট ও হুমকীর অভিযোগ পাওয়া গেছে। এব্যাপারে থানায় লিখিত এজাহার দাখিল করা হয়েছে।
আশাশুনি গ্রামের মৃত মোহাম্মদ আলি সরদারের পুত্র আশাশুনি দক্ষিণ পাড়া জামে মসজিদের দীর্ঘদিনের সভাপতি আব্দুল্যাহেল বাকী বাচ্চু বাদী হয়ে দাখিলকৃত এজাহারে প্রকাশ, প্রতিপক্ষ একই গ্রামের জাহিদুর রহমান মন্ত্রী, মোস্তাফিজুর রহমান লাল বাবু ও উজির তাকে (বাদী) মসজিদের সভাপতি থাকতে হলে। ২৮ মে মসজিদের কমিটি পুনঃর্গঠন করা হয়। বীর মুক্তিযোদ্ধা আঃ রহমান সর্বসম্মতিক্রমে তাকে সভাপতি, রবিউল ইসলাম রুমিকে সাধারণ সম্পাদকসহ ৯ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা করেন। প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে ৯ জুন তাদের থানায় অভিযোগ করায় তাকে খুন জখমের হুমকী ও ভয়ভীতি দেখানো হয়। ১১ জুন দুপুর ২ টার দিকে তিনি মসজিদে নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে জাহিদুরের বাড়ির সামনে পৌছলে ওঁৎপেতে থাকা প্রতিপক্ষ পথরোধ করে গালিগালাজ ও থানায় অভিযোগের কথা তুলে চাঁদার টাকা দাবী করে। একপর্যায়ে মারপিট করা হয়, গলাটিপে হত্যার চেষ্টা করে পকেটে থাকা মসজিদের ২৬ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয় এবং এক সপ্তাহের মধ্যে বাকী টাকা না দিলে জীবন নাশের হুমকী দিয়ে কেটে পড়ে। তাকে আশাশুনি হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা করা হয়। #

সংবাদ প্রকাশের জের সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকি দিলেন ইউপি চেয়ারম্যান লিটন
আশাশুনি প্রতিনিধি :
একটি সংবাদ প্রকাশের জের ধরে আশাশুনি প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি দৈনিক কল্যাণ এর আশাশুনি উপজেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক আলী নেওয়াজ কে প্রকাশ্য দিবালোকে প্রাণনাশের হুমকি দিলেন আনুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলমগীর আলম লিটন। এ ঘটনায় ফুঁসে উঠেছে আশাশুনির সাংবাদিক সমাজ। বিষয়টি পুলিশ প্রশাসনকে অবহিত করার পর মঙ্গলবার (আজ) জরুরি সভার আহবান করেছে প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (১৪ জুন) দুপুরে আর শুনি প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি প্রবীণ সাংবাদিক জি এম মুজবুর রহমান, সহ সভাপতি আলী নেওয়াজ, সদস্য ফাইজুল কবিরসহ স্থানীয় সাংবাদিকরা ঢাকা আর্ট কার্যালয়ে বসে ছিলেন। এমন সময় বহুল আলোচিত চেয়ারম্যান লিটন বিনা উস্কানিতে সেখানে হাজির হয়। এরপর তিনি একটি সংবাদ প্রকাশ কে কেন্দ্র করে সাংবাদিক আলী নেওয়াজ কে উদ্দেশ্য করে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেন এবং যেখানে পাবেন সেখানেই তিনি বদলা নেবেন বলে আস্ফালন করেন। চলে যাওয়ার সময় তিনি আলী নেওয়াজ কে আনুলিয়া ইউনিয়নে পেলে দেখে নেবেন বলে হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। তার এ ব্যবহারে আশাশুনি সাংবাদিক সমাজ ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছে। ঘটনা শোনার পর থেকেই আশাশুনি প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ আশাশুনি থানা অফিসার ইনচার্জ মো. গোলাম কবীর এর সাথে এ বিষয়টা নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি বিষয়টি গুরুত্বের সাথে জেলা পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান কে অবহিত করবেন এবং সাংবাদিকদের পাশে থাকবেন বলে আশ্বস্ত করেন। এ ঘটনায় আশাশুনি প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জ্ঞাপন করে বিবৃতি দিয়েছেন সভাপতি জিএম আল ফারুক, সাবেক সভাপতি জিএম মুজিবুর রহমান, এস এম আহসান হাবীব, সহ-সভাপতি আলী নেওয়াজ, আব্দুল আলিম, সাধারণ সম্পাদক সমীর রায়, সাংগঠনিক সম্পাদক এসকে হাসান, দপ্তর সম্পাদক আকাশ হোসেন, সাংবাদিক গোলাম মোস্তফা, সোহরাব হোসেন, নুর আলম, ফাইজুল কবিরসহ সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x