খুবি উপাচার্যের আবাসিক ভবনের নির্মাণকাজ পরিদর্শন

বিজ্ঞপ্তি :
নগরীর বয়রাস্থ খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের জায়গায় ৩২ কোটি ৭৬ লাখ টাকা ব্যয় সাপেক্ষ ১১ তলা বিশিষ্ট শহিদ বুদ্ধিজীবী ড. মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী আবাসিক ভবনের নির্মাণকাজ পরিদর্শন করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন। গতকাল ০৭ জুন, ২০২১ খ্রি. সোমবার বিকেলে তিনি নগরীর বয়রায় চলমান প্রকল্পের এ কাজ পরিদর্শন করেন। এসময় তিনি নির্মাণকাজ ত্বরান্বিত করার নির্দেশনা দেন।
পরিদর্শনকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর সাধন রঞ্জন ঘোষ, রসায়ন ডিসিপ্লিনের প্রধান প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল হক, প্রধান প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) মোঃ আব্দুর রাজ্জাক, উপাচার্যের সচিব সঞ্জয় সাহা, সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। #

খুবি উপাচার্যের সাথে শিক্ষক সমিতির সাক্ষাৎ
আজ ০৮ জুন ২০২১ খ্রি. তারিখ মঙ্গলবার বিকেল ৩টায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির নির্বাহী কমিটির সদস্যবৃন্দ উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন-এর সাথে সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাতকালে শিক্ষক সমিতির সদস্যবৃন্দ একাডেমিক এবং শিক্ষকদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট কিছু বিষয় নিয়ে উপাচার্যের সাথে মতবিনিময় করেন।
উপাচার্য শিক্ষক সমিতির নির্বাহী কমিটির সদস্যদের ধন্যবাদ জানিয়ে একাডেমিক উৎকর্ষ সাধনের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়কে আন্তর্জাতিক র‌্যাংকিংয়ে মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে নিয়ে যেতে শিক্ষকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা কথা উল্লেখ করেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে সমিতির সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন।
এসময় শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. মোঃ ওয়ালিউল হাসানাত ও সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. তানজিল সওগাতসহ নির্বাহী কমিটির অন্যান্য সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। #

খুবির সহকারী রেজিস্ট্রার আজাদের
পিতার ইন্তেকালে উপাচার্যের শোক
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কার্যালয়ে কর্মরত সহকারী রেজিস্ট্রার মোঃ আজমুল হুদা আজাদ এর পিতা মোঃ বাদশা হাওলাদার আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় রামপালের মল্লিকের বেড় গ্রামে নিজ বাড়িতে বার্ধক্যজনিত কারণে ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি … রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিলো ৮৩ বছর। তিনি স্ত্রী, ২ ছেলে ও ১ মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। আজ বাদ আছর নামাজে জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন সহকারী রেজিস্ট্রার মোঃ আজমুল হুদা আজাদ এর পিতার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। এক শোক বিবৃতিতে তিনি মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারবর্গের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।
অনুরূপ শোক প্রকাশ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোসাম্মাৎ হোসনে আরা, ট্রেজারার প্রফেসর সাধন রঞ্জন ঘোষ, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস এবং উপাচার্যের দপ্তরে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারিবৃন্দ। পৃথক এক বিবৃতিতে শোক প্রকাশ করেছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় অফিসার্স কল্যাণ পরিষদের সভাপতি শেখ মুজিবুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ তারিকুজ্জামান লিপন। #

খুবির এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের উদ্যোগে কুলবোট
এসি টেকনোলজির উপর কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের উদ্যোগে কুলবোট এসি টেকনোলজি ব্যবহার করে মিনি কোল্ড স্টোরেজ তৈরির বিষয়ে কৃষকদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল ৭ জুন, ২০২১ খ্রি. সোমবার ডুমুরিয়া উপজেলা কৃষি অফিসে এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।
এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিন প্রধান প্রফেসর ড. মোঃ সারওয়ার জাহান এর সভাপতিত্বে উক্ত প্রশিক্ষণে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ মোসাদ্দেক হোসেন। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ড. মোহাম্মদ বশীর আহমেদ। প্রকল্পের তত্ত্বাবধায়ক এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিন সহযোগী অধ্যাপক ড. প্রশান্ত কুমার দাশ এই টেকনোলজির সুবিধার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন। সহ-তত্ত্বাবধায়ক প্রফেসর ড. শামীম আহমেদ কামাল উদ্দিন খান এসময় প্রকল্পের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করেন। প্রশিক্ষণে ৫০ জন কৃষক অংশগ্রহণ করেন।
সভাপতি তাঁর বক্তৃতায় বলেন, কুলবোট প্রযুক্তিতে মিনি কোল্ড স্টোরেজ তৈরি হলে কম ব্যয়ে কৃষিপণ্য সংরক্ষণে সুবিধা হবে। ফলে একদিকে অমৌসুমে এসব কৃষিপণ্য বিক্রি করা যাবে, অপরদিকে কৃষক আর্থিকভাবে লাভবান হবেন। বাংলাদেশে এ মিনি কোল্ড স্টোরেজ প্রযুক্তির উদ্ভাবন করে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিন সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
উল্লেখ্য, গ্রামীণ পর্যায়ে কৃষিপণ্য সংরক্ষণের জন্য কুলবোট প্রযুক্তি ব্যবহার করে মিনি কোল্ড স্টোরেজ প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছেন এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিন সহযোগী অধ্যাপক ড. প্রশান্ত কুমার দাশ। কুলবোট প্রযুক্তি ব্যবহার করে ক্ষুদ্র পরিসরে তৈরি হিমায়িত সংরক্ষণাগার ফল ও শাক-সবজিসহ কৃষিপণ্য সংরক্ষণে এক বিপ্লব সাধিত হতে পারে। এটি কৃষকদের আয় বাড়াতে সহায়তা করবে ও উৎপাদিত কৃষিপণ্যের ক্ষতি লাঘবে অনেক ভূমিকা রাখতে পারবে। বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে এ প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রশিক্ষণ শেষে অনেক কৃষক এই প্রযুক্তি ব্যবহারে আগ্রহ দেখান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x